কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি

বিএনএ, কুড়িগ্রাম, ১৩ আগস্ট ॥  কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ১০৮ সোন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার এবং পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমারের পানি বিপদসীমার ১৩৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  রাজারজাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের কালুয়ারচরে বাঁধ ভেঙ্গে এক মহিলা শিশুসহ নিখোঁজ হয়েছে।

ফলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে জেলার রৌমারী, রাজিবপুর, চিলমারী, উলিপুর, নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ী ও সদর উপজেলার  ৫৪ ইউনিয়নের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ। তলিয়ে গেছে ২৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষেত তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ উচঁ জায়গায় আশ্রয় নিচ্ছে বন্যা কবলিত মানুষজন।

কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়ক তলিয়ে যাওয়ার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী ও ফুলবাড়ী উপজেলাসহ সোনাহাট স্থল বন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

পানির তীব্র স্রোতে সদরের আরডিআরএস বাজারে ৩০ মিটার ও ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমন্ডলে ১৫ মিটার বাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার মানুষজন সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যার পানি উঠায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে জেলার দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ৮৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৫৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার এবং পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমারের পানি বিপদসীমার ১৩৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া তিস্তা, সহ অন্যান্য ১৩টি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

আরকেসি/এসজিএন

Share