কোচ হচ্ছেন সুজন!

কোচ হচ্ছেন সুজন!

বিএনএ, স্পোর্টস ডেস্ক, ১১ নভেম্বর : জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবির কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন চন্ডিকা হাথুরু সিংহে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে সফলতম কোচ তিনি। শ্রীলঙ্কান সাবেক এ ক্রিকেটারের অধীনে বাংলাদেশ দল ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলে। শুধু তাই নয় র‌্যাংকিংয়েও টাইগারদের উন্নতি লাভে তার ভূমিকা অনেক।

গত বছর অক্টোবরেও পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের চিন্তা মাথায় রেখে গতবছর জুনে তার সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিও করে বিসিবি। এই মুহূর্তে কোচের পদত্যাগ নিঃসন্দেহে চিন্তায় ফেলবে বিসিবি কর্তাদের। নতুন করে ভাবতে হবে অনেক কিছুই। সবমিলিয়ে হাথুরু সিংহের এমন অপেশাদারি সিদ্ধান্তে ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ক্রিকেট।

এদিকে, ক্রিকেট পাড়ায় গুঞ্জন উঠেছে তার পরিবর্তে অন্তরবর্তীকালীন কোচ হিসেবে টাইগারদের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। কয়েক দিন আগেই বিসিবির পরিচালক হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে সুজন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই লেভেলে কোচিংটা এতটা কঠিন না। মোটিভেশনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্ল্যানিং ভালো হতে হয়। যদি দায়িত্ব দেয়া হয়, তাহলে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে ভাল করার।

সর্বশেষ প্রিমিয়ার লিগে সুজন আবাহনীর কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার অধীনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গেলো আসরে ঢাকা ডাইনামাইটস চ্যাম্পিয়ন হয়। সুজন বাংলাদেশ দলের তৃতীয় টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন। ২০০১ সালে অভিষেকের পর ক্যারিয়ারে মোট ১২ টেস্টের মধ্যে ৯টিতেই দলকে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৮ সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক করেন সুজন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্যারিয়ারে ৭৭টি ম্যাচ খেলেন তিনি। এছাড়া ১৫টি ওয়ানডে ম্যাচেও অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক ওই ম্যাচে ২৭ রান ও ৩ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন খালেদ মাহমুদ সুজন।

২০১৪ সালে নিয়োগ পাওয়ার সময় কোচ হিসেবে হাথুরু সিংহের নাম প্রস্তাব করেছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। দু’জনের সম্পর্কটাও দারুণ। অথচ সাউথ আফ্রিকা সফরে কয়েকদিন একসঙ্গে থাকলেও হাথুরু সিংহের এমন পরিকল্পনার কথা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি সুজন।

বিএনএ/আরকেসি/এইচ.এম/এসজিএন।

Share