সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ নিয়ে বিএনপিতে টান টান উত্তেজনা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ নিয়ে বিএনপিতে টান টান উত্তেজনা

বিএনএ,ঢাকা, ১২ নভেম্বর॥রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ রোববার সমাবেশ করবে মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। প্রায় দু বছরের মাথায় রাজধানীতে সমাবেশ করছে দলটি। এতে বক্তব্য রাখবেন দলের চেয়ারপার্সন বেগম খাপলেদা জিয়া। এর মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থনের বিষয়টি জানান দিতে চায় দলটি।

ঘরোয়া রাজনীতিতে বন্দি দলটির নেতা-কর্মীরা এ নিয়ে নতুন করে উজ্জীবিত। রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। এ সমাবেশকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকার বাধা না দিলে এটি স্মরণকালের বড় সমাবেশে পরিণত বলেও জানান তিনি।

বেগম খালেদা জিয়া লন্ডন থেকে ফিরে আসার দিন থেকে দলটির রাজনীতিতে লক্ষণীয় পরিবর্তন এসেছে। দুটি বড় ধরনের শোডাউনের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীরা এখন বেশ উদ্দীপ্ত। বেগম খালেদা জিয়ার কক্সবাজার সফরে যে জনস্রোত দেখা গেছে, তাতে দলটির বিশাল সমর্থকগোষ্ঠীও আশাবাদী হয়ে উঠেছে।

সবশেষ ২০১৬ সালের পহেলা মে শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শ্রমিক সমাবেশ করে বিএনপি। এর আগে ওই বছরের ৫ জানুয়ারি নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার সুযোগ পায় দলটি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের দুই বছর পূর্তিতে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে সেই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট এলাকার বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকামুখী সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ বন্ধ রয়েছে। কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা করতে গেছে। কি কারণে বাস চরাচল বন্ধ রাখা হয়েছে, তা জানান যায়নি। তবে, ঢাকা থেকে শিমুলিয়া ঘাটমুখী বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা অভিমুখী বাস চলাচলও সীমিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। চিটাগং রোড এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেড দেয়ায় যাত্রীরা ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন যাত্রীরা।

বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে যাতে নেতাকর্মীরা যেতে না পারেন, তার জন্যই যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আরকেসি/এসজিএন

Share