শ্রীলংকাকে হারালো বাংলাদেশ ৫ উইকেটে

শ্রীলংকাকে হারালো বাংলাদেশ ৫ উইকেটে

বিএনএ, স্পোর্টস ডেস্ক,  ১১ মার্চ, ২০১৮ : নিদাহাস ট্রফি ত্রিদেশীয় টি-২০ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৫ উইকেটে হারালো বাংলাদেশ। শ্রীলংকার ছুড়ে দেয়া ২১৫ রানের টার্গেট ২ বল হাতে রেখেই  জয়ের টার্গেটে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

শনিবার রাতে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগটা ভালোভাবে কাজে লাগায় শ্রীলংকার দুই ওপেনার দানুস্কা গুনাথিলাকা ও কুশল মেন্ডিজ। বাংলাদেশ বোলারদের উপর চড়াও হয়ে মাত্র ২৭ বল মোকাবেলায় উদ্বোধণী জুটিতে ৫৬ রান পেয়ে যায় শ্রীলংকা। ২৬ রানে থাকা গুনাথিলাকার উইকেট উপড়ে ফেলে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।

শুরুতে দ্রুত রান তোলার কাজটা পরবর্তীতে অব্যাহত রাখেন মেন্ডিজ ও কুশল পেরেরা। ১৪১ থেকে ১৫০ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাবার শংকায় পড়ে শ্রীলংকা। কিন্তু লংকানদের চাপে পড়তে দেননি পেরেরা ও উপুল থারাঙ্গা। পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশ বোলারদের উপড় আরো চড়াও হয়েছেন তারা। মাত্র ২৬ বল মোকাবেলা করে ৫৫ স্কোর বোর্ডে জড়ো করেন পেরেরা ও থারাঙ্গা।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১৪ রান পায় শ্রীলংকা। টি-২০তে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই শ্রীলংকার সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। নিজেদের টি-২০ ইতিহাসে চতুর্থ। বাংলাদেশের পক্ষে মুস্তাফিজ নেন ৩ উইকেট ।

এ ম্যাচে জিততে ২১৫ রানের টার্গেট পায় টাইগাররা। সেই লক্ষ্যে খেলতে মাঠে নামেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। প্রথম ম্যাচে তিন নম্বরে নেমে ৩৪ রান করেছিলেন লিটন। এবার প্রমোশন পেয়ে শুরুতেই তামিমের সঙ্গী লিটন। কেন তাকে শুরুতে পাঠানো হলো, তা প্রমান করেন লিটন। কম যাননি তামিমও। প্রথম ৫ ওভারেই বাংলাদেশের স্কোর ৬৫। ঐসময় লিটনের রান ১৬ বলে ৩৬, তামিমের ১৪ বলে ২৬।
পাওয়া-প্লের পঞ্চম বলে থামতে হয় লিটনকে। ১৯ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। ২টি চার ও ৫টি ছক্কা দিয়ে নিজের ইনিংস সাজান তিনি। লিটনের সাথে শুরুতে ৭৪ রান দেয়ার পর সৌম্য সরকারকে নিয়ে দলের স্কোর ১০০তে নিয়ে যান তামিম। হাফ-সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখতে থাকা তামিম থেমেছেন ব্যক্তিগত ৪৭ রানে। ২৯ বল মোকাবেলায় ৬টি চার ও ১টি ছক্কা হাকান তিনি।

৯ দশকিক ৩ ওভারে স্কোর বোর্ডে ১০০ রান রেখে তামিম যখন বিদায় নেন, তখন দলের দায়িত্ব নেন সৌম্য ও মুশফিকুর রহিম।  ২২ বলে ২৪ রান করে থামেন সৌম্য।
তবে ব্যাট হাতে অবিচল ছিলেন মুশফিক।  মাহমুদুল্লাহ ২০ রানে ও  সাব্বির রহমান শুন্য হাতে বিদায় নিলে বাংলাদেশ টাইগাররা নড়েচড়ে বসেন।
জয়ের জন্য ৬ বলে ৯ রানের সমীকরনে নামিয়ে আনেন মুশফিক। প্রথম ৪ ডেলিভারি থেকে ১টি বাউন্ডারিতে বাংলাদেশকে অবিস্মরনীয় জয় এনে দেন মুশফিকুর। ৩৫ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় অপরাজিত ৭২ রান করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন মুশফিক।

এসজিএন

Share