২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে মাদক মুক্ত করা হবে-আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে মাদক মুক্ত করা হবে-আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

বিএনএ,ঢাকা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, মাদকবিরোধী অবস্থানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেয়া হবে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করা হবে। সে লক্ষ্যে যেখানে মাদকের সন্ধান মিলবে সেখানেই অভিযান চলবে।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওস্থ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলনে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা কোরিয়া ইন্টান্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) ও ডিএনরিস’র যৌথ উদ্যোগে ‘দ্যা প্রজেক্ট ফর ইলিসিট ড্রাগ ইরাডাকশন অ্যান্ড এডাভান্সড ম্যানেজমেন্ট থ্রো ইট (আই ড্রিম ইট)’ শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় ডিএনসিকে যানবাহন ও যন্ত্রপাতি হস্তান্তর উপলক্ষ্যে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সরকার মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ প্রজেক্টের মাধ্যমে পাওয়া যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ডিএনসির কাজকে আরো গতিশীল করবে।

অনুষ্ঠানে কোইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর জো হান-গু বলেন, ‘আই ড্রিম ইট’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে যেসব যন্ত্রপাতি ও কম্পিউটার সরবরাহ করা হলো তা দিয়ে মাদক নির্মূলের পথ সহজ হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদক শনাক্তে সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

ডিএনসির মহাপরিচালক (ডিজি) জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আই ড্রিম ইট’ প্রজেক্টের মাধ্যমে আমাদের কাছে হস্তান্তরিত যন্ত্রের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ৩৭টি সেবা সহজীকরণ হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের রাসায়নিক পরীক্ষাগার আধুনিকরণ করা হবে। প্রজেক্টের বাজেটের ৪ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পটি ২০১৯ সালের মধ্যে শেষ হবে।

এর আগে ‘আই ড্রিম ইট’ প্রকল্পের আওতায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ যন্ত্র, গাড়ী, কম্পিউটারসহ ২৯ ধরনের যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করা হয়। মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ যন্ত্রটি বাংলাদেশ সর্বপ্রথম। এর মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের কাজটি আরো সহজ হবে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

এসকেকে/এসজিএন

Share