জরুরী সেবা ৯৯৯ এ বিরক্ত করলে শাস্তি!

জরুরী সেবা ৯৯৯ এ বিরক্ত করলে শাস্তি!

বিএনএ,ঢাকা: চলতি মাস থেকে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে বিরক্তকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার কথা ভাবছে পুলিশ। সোমবার বেলা ১১টায় আব্দুল গনি রোডে ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল সেন্টারে জরুরী সেবা নিয়ে জনমনে ভ্রান্তি দূর করতে আয়োজিত কমিউনিটি সেফটি অ্যাওয়ারনেস শীর্ষক সেমিনারে এমন কথা জানিয়েছেন ৯৯৯ এর ইনচার্জ ও পুলিশ সুপার তবারক উল্লাহ। কর্মশালায় সার্বিক সহযোগিতা করেছে ক্রাইম রিসাচ অ্যান্ড এনালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসপি তবার উল্লাহ বলেন, ৯৯৯ এর কার্যক্রম সম্পর্কে এখনও অনেক মানুষই অজানা। তারা জানেই না জরুরীর সেবা বলতে কি বলা হচ্ছে বা এখানে ফোন দিয়ে কি সেবা নিতে পারবে। তাই প্রন্তিক পর্যায়ের সেইসব জনগোষ্ঠির কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, অনেকেই ফোন করে কল টেকার নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন, কেউ বা আবার নিশ্চিত হচ্ছেন ৯৯৯ এ কেউ ফোন রিসিভ করেন কি না। এছাড়াও কল ট্রেকারকে নানা ধরণের বিরক্তিকর কথা বার্তা বলা হয়। এর ফলে লাইন ব্যস্ত থাকে। যার ফলে যার দ্রুত সেবা প্রয়োজন তিনি ওই মুহুর্তে সেবাটি পান না। কিন্তু এই সেন্টারে একজন কল টেকার সেবা দেয়ার জন্যই অপেক্ষা করেন। তবারক উল্লাহ বলেন, আমরা চাই এ সেবাটিকে কেউ যেন অপব্যবহার না করে। প্রায় প্রতিদিনই ১০ থেকে ১২টি বিরক্তিকর কল করা হয়। যা অনাকাঙ্খিত। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে বিরক্তিকর কলা যারা করেন তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ক্রাফের সভাপতি জেনিফার আলম বলেন, বর্তমান সময়ে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজ থেকে মানুষ প্রতারণাসহ নানাভাবে হ্যারাজমেন্টের শিকার হচ্ছে। যা থেকে প্রতিকার পেতে আপনারা ৯৯৯ এর সেবা গ্রহণ করতে পারেন। ডেসপারেটলি সিকিং ঢাকাসহ (ডিএসডি) বিপুল সংখ্যক মেম্বার আছেন, এমন ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনরা এই কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। ৯৯৯ নম্বর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজের মাধ্যমে মানুষের মাঝে কিছু সতর্কবার্তা পৌঁছে দেয়া হবে। প্রতি বৃহস্পতি ও শুক্রবার এই গ্রুপ ও পেজ থেকে সতর্কতামূলক সেফটি টিপস দেয়া হবে।

এসকেকে/ এসজিএন

Share