শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সংকট

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট

বিএনএ, চট্টগ্রাম : রান্না করার সব কিছু নিয়ে চুলার পাশে বসে থাকা। অপেক্ষা কখন চুলায় গ্যাস আসবে। আগুন জ্বলবে। তারপরই রান্না হবে। এমন অবস্থা চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকায়। মধ্যরাতে গ্যাস আসে লাইনে। আর অনেক পরিবার তখনই রান্না শুরু করে।

জানা গেছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ শনিবার রাত থেকে। গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ২৮০-৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস চট্টগ্রামে সরবরাহ করা হতো। মহেশখালি এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি দেখা দেয়ায় তা বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘাটতির কারণে জাতীয় গ্রিড থেকে চট্টগ্রামে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেয়া হচ্ছে। তারপরও ঘাটতি থেকে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন গ্রাহকরা।

 

নগরের চান্দগাঁও, বাকলিয়া, বাদুরতলা, চকবাজার, পাঁচলাইশ, খুলশী, লালখান বাজার, ফিরিঙ্গি বাজার, আগ্রাবাদ, ঘাটফরহাদ বেগ, পাহাড়তলী, শুলকবহরসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। এতে করে রান্না করতে গিয়ে গৃহিনীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

অনেকে নিরুপায় হয়ে ইনডেকশন কুকার কিনে নিয়ে সেখানে রান্না করেছেন। কেউ কেউ আবার সিলিন্ডার গ্যাস নিয়ে ব্যবহার করা শুরু করেছেন। কেরোসিনের চুলায় অনেককে রান্না করতে হচ্ছে। আর যারা নিরুপায় তারা মাটির চুলায় রান্না করছেন।

আগ্রাবাদ এলাকায় বাসিন্দা মরিয়ম বেগম বলেন, গ্যাস থাকে না। রাত জাগতে হয় রান্না করার জন্য। গভীর রাতে গ্যাস আসে। তখন রান্না করতে পারি। কখন স্বাভাবিক হবে জানি না। ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।

এদিকে গ্যাস সংকটের কারণে হোটেলগুলোতে বিক্রি বেড়ে গেছে। পার্শেলে অনেকে বাসার জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছেন।

কবে অবস্থা স্বাভাবিক হবে এমন প্রশ্ন করা হলে কেজিসিএল’র (কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড) ব্যবস্থাপনা পরিচালক খায়েজ আহমদ মজুমদার বলেন, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এলএনজি সরবরাহে যে সমস্যা তা সমাধানে কাজ করা হচ্ছে। আর ঘাটতি পূরণের জন্য জাতীয় গ্রিড থেকে গ্যাস নিয়ে সমন্বয় করা হচ্ছে। সামনে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হবে। তবে সেজন্য সময় লাগবে।

বিএনএ/হাসান মুন্না, এস জি নবী

 


newssbna-ad
newssbna-ad
ওয়েব সাইটে প্রকাশিত কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এর জন্য সম্পাদক কোন ভাবে দায়ী নন