বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:০৮ অপরাহ্ন

লোহাগাড়ায় নববধূ হত্যা মামলা: কলাউজানের চেয়ারম্যানসহ আসামী সাত

লোহাগাড়ায় নববধূ হত্যা মামলা: কলাউজানের চেয়ারম্যানসহ আসামী সাত

বিএনএ, লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:  লোহাগাড়ায় উপজেলার কলাউজান পূর্ব কলাউজান অল্ল্যা মার পাড়ায় নববধূর মৃত্যু ঘটনায় মামলাটির তদন্ত শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশন মামলাটি তদন্ত করছে।

এর আগে গত ২ অক্টোবর কলাউজানেরর চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ ৭ জনকে আসামী করে নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-২ মামলা করেছে ভিকটিম নববধূর নাম জন্নাতুল ফেরদৌসের পিতা বাংলাবাজার প্রতিবন্ধী হাফেজ হোসাইন আহমেদ (প্রকাশ লেইঙ্গা হাফেজ)। যার মামলা নং- ১৬৯৪/২০১৮(লোহাগাড়া)।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ইনভেস্টিগেশন অব ব্যূরো (পিবিআই) কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার আসমীরা হলেন, পূর্ব কলাউজান মিয়াজি পাড়ার মৃত  আবুল খায়েরের পুত্র আবদুল গফুর(৪৫), তার স্ত্রী ছমুদা খাতুন(৩৫)পুত্র মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন(২২), কলাউজান ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ, ইউপি সদস্য মো. আয়ুব, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের মজিদার পাড়ার আবুল হাসেমের পুত্র মো. ফেরদৌস, আধু নগর ৪নং ওয়ার্ডের  রশিদার ঘোনার আবদুস সালামের পুত্র হুমায়ুন।তাছাড়া আরো ৪/৫জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।

নিহত গৃহবধুর পিতা  প্রতিবন্ধী হাফেজ হোসাইন আহমদ বিএনএ প্রতিনিধিকে জানান, আমার মেয়ে ইসলামিক শিক্ষায় শিক্ষিত।স্বামীর বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।এদিকে মামলার পর ১নং আসামী নিহত নববূধুর স্বামী কুতুব উদ্দিন বিদেশে পালিয় যায়।উল্লখ্যে : ১৭ আগস্ট দুপুর ১২টায় পূর্ব কলাউজান (অল্ল্যা মার পাড়া) এ ঘটনা ঘটে।

কলাউজানের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে মামলায় বলা হয়, মামলার ৪ থেকে ৭নং আসামীগণ ভিকটিমের লাশ তড়িঘড়ি করে দাফন করার চেষ্ঠা চালান। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ বলেন, ‘এ ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নই। আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে’।

প্রতিনিধি: এরশাদ হোসেন, সম্পাদনায়: এসজিএন

 


newssbna-ad
newssbna-ad
ওয়েব সাইটে প্রকাশিত কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এর জন্য সম্পাদক কোন ভাবে দায়ী নন