সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ০২:১০ অপরাহ্ন

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিউজ বিএনএ ডটকম,ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে  ঢাকায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তাকে দাফন করা হয় ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুরে কবির পৈতৃক বাড়ির প্রিয় ডালিমগাছের তলায়।

জসীম উদ্দীন ছিলেন প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী এবং সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার একজন দৃঢ় সমর্থক। তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা।

১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন জসিম উদ্দিন।তার বাবার বাড়ি ছিল একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন।এই গোবিন্দপুরেই কবি জসীম উদ্দীনের তিন পুরুষের ভিটা। জানা যায় কবির পিতা, পিতামহ ঐ অঞ্চলের প্রভাবশালী লোক ছিলেন। গ্রামীণ সমাজের রাজনীতি ও ধর্মীয় ব্যাপারে এলাকায় তাদের পরিবার দীর্ঘকাল আধিপত্য করেছে।

পল্লীকবি’ উপাধিতে ভূষিত, জসীম উদ্‌দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি।বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এ কবির লেখা উপন্যাস ‘বেদের মেয়ে’, কাব্য ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘নক্সী-কাঁথার মাঠ’ এবং ‘কবর’, আসমানীসহ বিভিন্ন কবিতা পাঠকমনে নাড়া দেয়।অনেক কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ রচনা করে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে গেছেন তিনি।

বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার, ১৯৬৮ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি. লিট উপাধি ও ১৯৭৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন জসিম উদ্দীন।

আর করিম চৌধুরী/এস জি নবী

 



newssbna-ad
newssbna-ad
ওয়েব সাইটে প্রকাশিত কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এর জন্য সম্পাদক কোন ভাবে দায়ী নন