শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামের সর্ব বৃহৎ রেষ্টুরেন্ট আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায়:01716430580

দুরবিন : সৌদি প্রতিনিধি দল গেল চীনে, বাংলাদেশ কবে পাঠাচ্ছে?

সৌদি প্রতিনিধি দল

বিএনএ, চট্টগ্রাম :  চীন,তাইওয়ান, ম্যাকাও, থাইল্যান্ড,জাপান থেকে তরুণ উদ্যোক্তারা অনেক কিছু শিখতে পারেন। আইসিটি খাতে এসব দেশ অনেক এগিয়েছে। সৌদি প্রিন্স সালমান বিন মোহাম্মদের নেতৃত্বে সৌদি মিডিয়া ও তরুণ উদ্যোক্তাদের দলটি চীন সফরে গিয়ে সৌদি ভিশন ২০৩০ অর্জন সহজ করা যায় সম্প্রতি তা দেখে আসেন।

চীনের  হুয়াইয়ের সদর দপ্তরে প্রতিনিধি  দলটি নতুন ডিজিটাল যুগে কোম্পানির নতুন  উদ্ভাবন, সমস্যার সমাধান ও ব্যবসার কৌশল ও দেশটির ভিশন নিয়ে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিনিধি দলটি চীন ও সৌদি সরকারের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন মাত্রাকে এগিয়ে নেওয়ার কর্মসূচির অংশ হিসেবে চীন সফর করছেন। সফরে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন   উপ প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। যিনি সৌদি আরবকে চীনের সংস্কৃতি ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে চান।

চীনে সৌদি ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম ও  হুয়াই ৫টি এমওইউ স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে  সৌদি আরবের পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরে আইসিটি উন্নয়নেও  কাজ করবে তারা। সৌদি মিডিয়ার সুযোগ হয়েছে হুয়াইয়ের গ্লোবাল এক্সিকিউটিভ  ও বিশেষজ্ঞদের সাথে সাক্ষাত করার।

তারা জানতে পেরেছেন কিভাবে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও  ডিজিটাল রূপান্তর অগ্রগতিতে  দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে চীন। সৌদি সাংবাদিকরা হুয়াইয়ের ল্যাবরেটররিগুলোসহ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টগুলো ঘুরে দেখেন।  সেখানে তারা দেখতে পান কিভাবে ফিফথ জেনারেশন টেকনোলজি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলোর উন্নয়নে ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিনিধিদল দেখলেন, এর সাথে সঙ্গতি রেখে,  টেকসই ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য সৌদি সরকারের  এ প্রচেষ্টায়   আইসিটি হবে সাফল্যের চাবিকাঠি। 

যাতে  নতুন ডিজিটাল যুগে প্রবেশে ও ২০৩০ সৌদি ভিশন বাস্তবায়নে  ভূমিকা রাখবে। সৌদি আরবে হুয়াইয়ের সিইও ডেনিস ঝ্যাং বলেন,  চীনে সৌদি আরবের মিডিয়া প্রতিনিধিদের সফরে তিনি উৎফুল্লিত। আইসিটি শিল্প কিভাবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভুমিকা রাখছে তা তুলে ধরছেন সাংবাদিকরাই। আমরা ২০২০ সালের মধ্যে ন্যাশনাল ট্রান্সফরমেশন প্রোগ্রামও সৌদি ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বাংলাদেশ সরকার আইসিটি খাতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আইসিটি সেক্টরে প্রভূত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডিজিটাল দেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখছে। এরই মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ জগতের সদস্য হয়ে গেছে বাংলাদেশ। আইসিটি খাতে  বাংলাদেশে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগ। নিজ দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা যেমন রয়েছে তেমনি  প্রয়োজন তরুণ উদ্যোক্তাদের বিদেশে পাঠানোর গুরুত্ব। আইসিটি খাতে  উন্নত দেশগুলোর কার্যক্রম স্বচক্ষে দেখার মাধ্যমে নিজেরা যাতে পরিকল্পনা সাজিয়ে এগিয়ে যেতে পারে সামনে।

আইসিটিতে বাংলাদেশ :

দিনে দিনে অভূতপুর্ব উন্নয়ন ঘটছে বাংলাদেশের। বর্তমানে দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় রফতানি খাত হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে (আইসিটি) বিবেচনা করছে সরকার। ২০২১ সালের মধ্যে এই খাত থেকে ৫০০ কোটি ডলারের (৪০ হাজার কোটি টাকা) পণ্য ও সেবা রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই চলতি বছরের নানা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন এসেছে এই খাতে। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সমন্বয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচয় পেয়েছে ডিজিটাল দেশ হিসেবে।

বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন, সারা দেশে হাইটেক পার্ক তৈরি, সফটওয়্যার রফতানি বাড়ানো, বিপিও খাতের উন্নয়ন, এক হাজার উদ্ভাবনী পণ্য তৈরি, গেম খাতের উন্নয়নসহ বহুমুখী উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে সরকার। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং রফতানি আরো বাড়বে বলে জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সূত্র।

শারিরীক প্রতিবন্ধিদের চাকরির মেলা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে বছরের কার্যক্রম শুরু হয় ১জানুয়ারি শারিরীক প্রতিবন্ধিদের চাকরি মেলা দিয়ে। চলতি বছরে ২০০ জন প্রতিবন্ধিকে চাকুরি দেয়া হয়। এছাড়াও হাইটেক পার্কের উদ্যোগে যশোরে এবং এলআইসিটি’র উদ্যোগে চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও ঢাকায় জব ফেয়ার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা উন্নয়নে এ পর্যন্ত মোট ৬৩১ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং ৩২০ জনের চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রতিবন্ধী ছাড়াও শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য চাকুরি মেলার আয়োজন করে যোগ্যদের চাকুরির সুযোগ করে দেয়া। এছাড়াও দেশের ৬৪ জেলার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্পের আয়োজন করে তরুণ শিক্ষার্থীদের আইসিটিতে ক্যারিয়ার গড়ে তোলায় উদ্বুদ্ধ করা ছিল উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও হাইটেক পার্কের উদ্যোগে যশোরে এবং এলআইসিটি’র উদ্যোগে চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও ঢাকায় জব ফেয়ার আয়োজন করা হয়।

সফট এক্সপোঃ‘ফিউচার ইন মোশন’স্লোগানে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয় দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রদর্শনী বেসিস সফট এক্সপো। ১১তম এই আয়োজনে এ বছর বিজনেস সফটওয়্যার জোন, আইটিইএস, বিপিও জোন, মোবাইল ইনোভেশন জোন ও ই-কমার্স জোন এই ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ মেলার আয়োজন করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বাণিজ্যিক সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। এবারের আয়োজনে তরুণ প্রজন্মকে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে আইটি জব ফেয়ারও হয়। যেখানে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিগুলো খুঁজে নেয় পছন্দের প্রার্থীদের।

ইনফো-সরকার :ইনফো-সরকার (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা থেকে দুই হাজার ৬০০টি ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবারের সংযোগ ও প্রতিটি ইউনিয়নের একটি করে পয়েন্ট অফ প্রেজেন্স (পিওপি) স্থাপন, লিজড লাইনের মাধ্যমে এক হাজার পুলিশ অফিস সংযোগসহ পৃথক ভয়েস প্রটৌকল নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) স্থাপন করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও দেশের ৫৮টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও প্রতিষ্ঠান, ২২৭ টি সরকারি দফতর ও ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১৮ হাজার ৪৩৪টি সরকারি অফিসকে একীভূত নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ নেটওয়ার্কের আওতায় দেশব্যাপী ভিপিএন স্থাপনের করে নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের সব উপজেলার সঙ্গে জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সরাসরি কথোপকথনের জন্যে এবং একসঙ্গে একাধিক উপজেলায় বার্তা-তথ্য প্রেরণ, সভা-অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে ৮৭৬টি ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।

পেপ্যাল-জুম সার্ভিস : দেশে কাজ করে বিদেশ থেকে ডলার আনতে ফ্রিল্যান্সারদের পেপ্যাল চালুর প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে, তার সফল বাস্তবায়ন ঘটলো জুম ও পেপ্যাল মার্জ করে। বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে অনলাইনে অর্থ স্থানান্তরের সেবাদানকারী যুক্তরাষ্ট্রে ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পেপ্যাল। চলতি বছরের ১৯ অক্টোবর পেপ্যাল-জুম সার্ভিস উদ্বোধন ও ফ্রিল্যান্সার্স কনফারেন্স শীর্ষক সম্মেলনে বিশেষ সেবাটির উদ্বোধন করেন সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।জানা যায়, প্রাথমিকভাবে পেপ্যাল দিয়ে ইনবাউন্ড সেবা তথা শুধু টাকা আনা যাবে। সোনালী, রূপালী, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকসহ ৯টি ব্যাংক থেকে এই টাকা উত্তোলন করা যাবে।

গুগল মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট : গুগল মার্চেন্টের এ সুবিধা বংলাদেশের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ও গেম ডেভেল পমেন্ট আরো প্রসারিত হবে। এর ফলে দেশীয় গেম ও অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারদের বৈশ্বিক পদচারণা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। চলতি বছরের সাত নভেম্বরে গুগলের সাপোর্ট সেন্টার ‘লোকেশনস ফর ডেভেলপার অ্যান্ড মার্চেন্ট রেজিস্ট্রেশন’ বিভাগে বাংলাদেশের নাম যুক্ত করা হয়। যার ফলে বাংলাদেশি অ্যান্ড্রয়েড ডেভলপাররা এখন থেকে ‘গুগল পে’তে অ্যাপ বিক্রি করতে পারবে।

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ও সোফিয়া: দেশের প্রযুক্তি অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত নাম ছিল ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশগ্রহণ করা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সামাজিক রোবট ‘সোফিয়া’। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে, তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান এবং এ খাতের সাফল্যগুলো তুলে ধরতে প্রতি বছর ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের আয়োজন করা হয়। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের এবারের আয়োজনে বিভিন্ন পণ্য, সেবা ও উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ক্যাটাগরিভেদে প্রদর্শনীতে আটটি জোন ছিলো। যার মধ্যে সফটওয়্যার শোকেসিং, ই-কমার্স জোন গেমিং জোন, স্টার্টাপ জোন, মোবাইল ইনোভেশন জোন ছাড়াও বাংলাদেশে তৈরি বিভিন্ন পণ্য ও সেবা সবার সামনে তুলে ধরার জন্য এবার ‘মেড ইন বাংলাদেশ প্রডাক্ট শোকেস’ নামে আলাদা একটি জোন ছিল।

জাতীয় জরুরি নম্বর ৯৯৯ উদ্বোধন:

জাতীয় পর্যায়ে সর্বস্তরের জনগণের জন্য মোবাইল ফোনভিত্তিক হেল্পডেস্ক বাস্তবায়ন কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ‘৯৯৯’। পরীক্ষামূলক সময়ে ৩৬ লাখ ফোন কল পর্যবেক্ষণ করার পর ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এই সেবার উদ্বোধন করেন। কল সেন্টারটির মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের জন্য জরুরি পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি দিবস:

চলতি বছর থেকে প্রথমবারের মতো উদযাপন করা হচ্ছে জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি দিবস বা ন্যাশনাল আইসিটি ডে। প্রতিবছর ১২ ডিসেম্বর এই দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়। সূত্র জানায়, ১২ ডিসেম্বর ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিসব’ হিসেবে ঘোষণা ও উদযাপনের লক্ষ্যে বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ বিষয়ক পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তির্ভুক্তকরণের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক:

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আইসিটি শিল্পের সুষম উন্নয়ন ও বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ এ পার্কের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আধুনিক সুবিধাসহ এতে রয়েছে ১৫তলা মাল্টি টেন্যান্ট ভবন (এমটিবি), জিমনেশিয়ামের সুবিধাসহ ১২তলা ডরমিটরি ভবন এবং ক্যান্টিন ও অ্যাম্ফিথিয়েটার, ৩৩ কেভিএ পাওয়ার সাব-স্টেশন, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ এবং অন্যান্য ইউটিলিটি সেবা। পার্কটিতে ইতিমধ্যে ৪১টি প্রতিষ্ঠানকে স্পেস বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

ঢাকায় অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ড: এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বৃহত্তম সংগঠন এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্স (অ্যাপিকটা) অ্যাওয়ার্ড প্রথমবারের মতো চলতি বছর বাংলাদেশে আয়োজন করা হয়। সদস্য পাওয়ার মাত্র দুই বছরের মাথায় এই আয়োজন করতে পেরে উচ্ছাসিত বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস(বেসিস)। চারদিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় অ্যাপিকটাভুক্ত ১৮টি দেশ অংশ নেয়।

১৭তম অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ডের এবারের আয়োজনে ১৭ ক্যাটাগরিতে ১ টি বিজয়ী এবং ১৪টি মেরিট পুরষ্কার অর্জন করে বাংলাদেশ। এই আসরে ১৬ দেশের প্রতিযোগীরা ১৭ ক্যাটাগরিতে ১৪১ প্রকল্প জমা দেয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ছিল ৪৭টি প্রকল্পে ১৬৬ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। আর বিদেশি প্রতিযোগির সংখ্যা ছিল ৩৬৬ জন।

এছাড়াও ৯৪টি আইসিটি পণ্য আমদানীতে শুল্ক প্রত্যাহার, আইসিটি পন্য রফতানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা, হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগকারিদের জন্য ২০২৪ সাল পর্যন্ত ট্যাক্স হলিডে ঘোষণা, ৯০০টি নতুন শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন কার্যক্রম, ডিজিটাল মিডিয়ায় বাংলা সমৃদ্ধকরণ, রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু সিলিকন সিটি স্থাপন, শী পাওয়ার, আইডিয়া ইত্যাদি সিদ্ধান্তগুলোও এই খাতের জন্য ছিলো উল্ল্যেখযোগ্য।

সম্পাদনায় : আবির হাসান।

 


ট্যাগ:

newssbna-ad

The Village Restaurant And Party Centre Finlay house ,Ground floor (oposite CGO building 11) Agrabad C/A Or Call 0176588888

ওয়েব সাইটে প্রকাশিত কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এর জন্য সম্পাদক কোন ভাবে দায়ী নন