শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামের সর্ব বৃহৎ রেষ্টুরেন্ট আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায়:01716430580

দুরবিন : জামালখান ওয়ার্ড


বিএনএ ডেস্ক, চট্টগ্রাম ।। নগরীর ব্যস্ত সড়কে স্কুলগুলোর যানজট প্রতিদিনের। স্কুল ছুটি হলেই বেধে যায় যানজট। সবকটি স্কুল ছুটির সময়সীমা একই হওয়ায় যানজট তীব্র আকার ধারণ করে।এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ জামাল খান এলাকা। বেশ কয়েকটি স্কুল রয়েছে এখানে।

জামালখান সড়কের পাশে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয় শুরু এবং ছুটির সময় সড়কটিতে যানজট প্রকট আকার ধারণ করে। ছুটির দিন ছাড়া সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে নিয়ম করে বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এই মোড়ে যানজট লেগে থাকে। আবার বিকেল চারটার দিকেও যানজটে পড়তে হয় যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের। এই চারটি বিদ্যালয় হলো ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, সেন্ট মেরিস স্কুল, এ জি চার্চ স্কুল, চট্টগ্রাম আইডিয়াল স্কুল এবং চট্টগ্রাম ওয়ালীউল্লাহ ইনস্টিটিউট।

মর্নিং শিফটে পাঠদানকারী স্কুলগুলো  বেলা ১১ টার দিকে ছুটি হয়। ছুটির সময়ই হৈ হুল্লোড়, শিক্ষার্থীদের বাসায় ফেরার তাড়া সবমিলে এক তীব্র বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়। সচেতন মহলের ধারনা স্কুল ছুটির সময় আগে পিছে করে দিলে হয়তো যানজট লাগতো না।

এ সময়টিতে ঝাঁঝালো রোদের তীব্র জ্বালায় অস্থির থাকে সবাই। যানজটে আটকা পড়ে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয় সকলের। জামাখান এলাকা থেকে স্কুল সরিয়ে নেওয়ার  দাবি অনেকদিনের। বিষয়টি ভেবে দেখার দায়িত্ব যথাযথ কর্তৃপক্ষের।

মর্নিং শিফটে পাঠদানকারী স্কুলগুলো  বেলা ১১ টার দিকে ছুটি হয়। ছুটির সময়ই হৈ হুল্লোড়, শিক্ষার্থীদের বাসায় ফেরার তাড়া সবমিলে এক তীব্র বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়। সচেতন মহলের ধারনা স্কুল ছুটির সময় আগে পিছে করে দিলে হয়তো যানজট লাগতো না।

এ সময়টিতে ঝাঁঝালো রোদের তীব্র জ্বালায় অস্থির থাকে সবাই। যানজটে আটকা পড়ে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয় সকলের। জামাখান এলাকা থেকে স্কুল সরিয়ে নেওয়ার  দাবি অনেকদিনের। বিষয়টি ভেবে দেখার দায়িত্ব যথাযথ কর্তৃপক্ষের।

সড়কের পাশের দেয়ালে ম্যুরাল। এতে চোখ রাখলে একঝলকে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। সড়কদ্বীপে সবুজের সমারোহ। রাতে এলইডি বাতির আলোয় ঝলমল করে সড়কদ্বীপের দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা। এর পাশের ফুটপাতে বসার সুন্দর ব্যবস্থা। চট্টগ্রাম নগরের জামালখান ওয়ার্ডের জামালখান সড়ক ভালো লাগার অনুভূতি দেবে পথচারীদের। তবে পথচারী না হয়ে কেউ যদি যানবাহনের যাত্রী হয়ে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে এই সড়ক পার হন, তাহলে মেজাজ বিগড়ে যেতে পারে। কারণ, জামালখান মোড়ের যানজট অসহনীয়।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের। এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের খুব বেশি কিছু করার নেই। বিদ্যালয়গুলোর সময়সূচি একটু এদিক-সেদিক করে কীভাবে যানজট এড়ানো যায়, ওই ব্যবস্থা করতে ট্রাফিক বিভাগকে প্রস্তাব দেবেন তাঁরা।

ওয়ার্ডের সমস্যা নিয়ে স্থানীয়  বাসিন্দারা  বলেন, জামালখান সড়কের শেষ প্রান্তে চেরাগী পাহাড় মোড়ে ফুলের দোকানকে ঘিরেও যানজট হয়। ফুলের দোকানগুলোর কারণে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে সমসায় পড়েন পথচারীরা। জামালখান সিনিয়রস ক্লাবের সামনের ফুটপাতের ওপর বসে হকার। সকালে জামালখান এবং মোমিন রোডে বসে কাঁচাবাজার। তবে এই ওয়ার্ড নগরের অন্য ৪০টি ওয়ার্ড থেকে তুলনামূলকভাবে বেশ পরিচ্ছন্ন বলে স্বীকার করেন তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিক বলেন, চেরাগী পাহাড় থেকে হেম সেন লেন পর্যন্ত ফুটপাত থাকে ফুলওয়ালাদের দখলে। সকাল থেকে ফুটপাতের ওপর তারা ফুল, পাতা রেখে মানুষের চলাচল বন্ধ করে দেয়। রাস্তার ওপর গাড়ি রেখে সাজানো হয়। ফলে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এখানে যানজট দেখা দেয়। ভারী বৃষ্টি হলে হেম সেন লেন, জালাল কলোনি, জামালখান বাই লেনে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

জামালখান ওয়ার্ড নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রাম নগর ভবনের অবস্থান এই ওয়ার্ডের আন্দরকিল্লা মোড়ে। নগর ভবনের অবস্থান এই ওয়ার্ডে হওয়ায় পরিচ্ছন্নতার দিকটি অন্য ওয়ার্ডের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণের কাজটি এই ওয়ার্ড থেকেই শুরু হয়েছিল।

সম্পাদনায় : আবির হাসান


ট্যাগ:

newssbna-ad

The Village Restaurant And Party Centre Finlay house ,Ground floor (oposite CGO building 11) Agrabad C/A Or Call 0176588888

ওয়েব সাইটে প্রকাশিত কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এর জন্য সম্পাদক কোন ভাবে দায়ী নন