শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামের সর্ব বৃহৎ রেষ্টুরেন্ট আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায়:01716430580

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ষবরণ

চ.বি. উপাচার্য

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রোববার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পহেলা বৈশাখ অসাম্প্রদায়িক বাংলার প্রতিচ্ছবি- চ.বি. উপাচার্য

চ.বি. উপাচার্য

‘নন্দিত স্বদেশ নন্দিত বৈশাখ’ – এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ বাংলা নববর্ষ মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল দিনব্যাপি বৈশাখি ও লোকজ মেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চবি মহিলা সংসদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রম্য বিতর্ক, পুতুল নাচ, হা-ডু-ডু, বউচি খেলা, লাঠিখেলা, নাটক, চিশতী বাউল-এর পরিবেশনায় বাউল সংগীত এবং আমন্ত্রিত ব্যান্ড দল ‘মাকসুদ ও ঢাকা’-এর পরিবেশনা। সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয় জিরো পয়েন্ট ‘স্মরণ’ চত্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ শোভা যাত্রা।

শোভাযাত্রা শেষে শহীদ আবদুর রব হল মাঠে মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন এবং ভাষণ দেন পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহবায়ক চবি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এতে শুভ্চ্ছো বক্তব্য রাখেন পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির সমন্বয়ক চ.বি. উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর মো. জাকির হোসেন, ডিনবৃন্দের পক্ষে কলা ও মানবিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব কে এম নুর আহমদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য) বাবু দিবাকর রড়ুয়া।

উপাচার্য তাঁর ভাষণে উপস্থিত সকলকে বাংলা নববর্ষের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলার প্রতিচ্ছবি; পুরনো দিনের সকল জীর্ণতা, ক্লান্তি, অসত্য এবং অন্ধকারকে পেছনে ফেলে মঙ্গল আলোর প্রদীপ জ্বেলে নববর্ষের নবতর বার্তা নিয়ে আসে পহেলা বৈশাখ। তাই এই দিনটিতে বাঙালির হৃদয়ে নব উচ্ছ্বাসে জাগ্রত হয় অফুরন্ত আনন্দবোধ ও সম্মিলন চেতনা।  উপাচার্য নববর্ষের মহামিলনোৎসবের এ শুভদিনে জঙ্গি-সন্ত্রাসসহ সকল অপশক্তি-অপপ্রচার সংহার-নিধন করে সত্য-সুন্দর-কল্যাণ-মঙ্গল প্রতিষ্ঠায় তরুণ সমাজকে বৈশাখকে ধারণ করার উদাত্ত আহবান জানান।জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সূচিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি):

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ-১৪২৬।ঢাবি ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী নানা আয়োজনে বর্ষবরণ উদ্যাপিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আয়োজনের মধ্যে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে নাটমন্ডলে নাট্য-অনুষ্ঠান, সংগীতানুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

১৪ এপ্রিল সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে বাংলা নববর্ষের বর্ণিল আকর্ষণ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। শোভাযাত্রায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী।
উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি শাহবাগ মোড় হয়ে টিএসসি ঘুরে চারুকলায় এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অনেক বিদেশি অতিথিও ছিলেন।

এর আগে ‘এসো হে বৈশাখ’ শিরোনামে নতুন বছরের সমৃদ্ধি কামনায় সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের উদ্যোগে কলাভবন প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক বটতলায় সংগীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ষবরণ উৎসবের শুরু হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।

বিএনএ/এসজিএন



newssbna-ad

The Village Restaurant And Party Centre Finlay house ,Ground floor (oposite CGO building 11) Agrabad C/A Or Call 0176588888

ওয়েব সাইটে প্রকাশিত কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এর জন্য সম্পাদক কোন ভাবে দায়ী নন