বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন

সদ্য সংবাদ:

রাখে আল্লা মারে কে—-

নিউজিল্যান্ড সফরত বাংলাদেশ দল

নিউজ বিএনএ ডটকম,ডেস্ক: ‘আলহামদুলিল্লাহ্‌! ক্রাইস্টচার্চে হামলার ঘটনা থেকে মহান আল্লাহ্‌ আমাদের জাতীয় সম্পদকে রক্ষা করেছেন। অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। নিরাপদেই রয়েছেন বাংলাদেশের তারা।ক্রাইস্টচার্চে হেগলি ওভাল মাঠের কাছেই যে মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যান তাঁরা, সেই মসজিদেই সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।৪/৫ মিনিট পর্কেই হয়তো মসজিদের প্রবেশ করতেন তামিম-মুশফিকরা,কাছেই পৌঁছে ছিলেন। একটু সময়ের জন্য  রক্ষা পেয়েছেন তারা।চোখের সামনে সন্ত্রাসী হামলা চলছে, রক্তাক্ত অবস্থায় মানুষ পড়ে আছে—ভয়াবহ এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা।

ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভাল স্টেডিয়ামের কাছে মসজিদ আল নুরে স্থানীয় সময় বেলা দেড়টায় থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। অনুশীলন শেষ করে শনিবারের ম্যাচের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট বেশি সময় লাগে।  আর এতেই বেঁচে যান তামিম, মিরাজ, তাইজুল, মুশফিকরা। কারণ পাঁচ মিনিট আগে মাঠ ছাড়লে সময়মতো মসজিদে পৌঁছে যেতো তারা।ঘটনার সময় জুমার নামাজের পূর্বে খোৎবা পাঠ চলছিল।

সংবাদ সম্মেলন শেষে তামিম-মুশফিকরা মসজিদে পৌঁছায় প্রায় ১টা ৪০ মিনিটে। দেরি হওয়ায় বাস থেকে নেমেই তড়িঘড়ি করে মসজিদের পথে পা বাড়ান তারা।বাংলাদেশ দলের বাস তখন মসজিদের সামনে। ক্রিকেটাররা বাস থেকে নেমে মসজিদে ঢুকবেন, এমন সময় রক্তাক্ত শরীরের একজন মহিলা ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান। ক্রিকেটাররা তখনো বুঝতে পারেননি কী ঘটেছে। তাঁরা হয়তো মসজিদে ঢুকেই যেতেন, যদি না ভদ্রমহিলা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বলেন,মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এবং আশেপাশের অনেকেই গুলিবিদ্ধ।

বাসে বসেই তাঁরা দেখতে পান, মসজিদের সামনে অনেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। অনেকে রক্তাক্ত শরীর নিয়ে বেরিয়ে আসছেন মসজিদ থেকে। যা দেখে আতঙ্কে অস্থির হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। প্রথমে বাসে অবস্থান নেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। কিন্তু বাসে বেশিক্ষণ নিরাপদ মনে হয়নি টিম বাংলাদেশের। তাই বাস থেকে হাগলি পার্কের মধ্য দিয়ে আবার মাঠে ফেরেন তারা। কিছুক্ষণ ড্রেসিংরুমে বসে থেকে সবাই চলে যান টিম হোটেলে।টিম হোটেলে পৌঁছে মুশফিক-তামিমরা জানতে পারেন মসজিদ আল নুরে ‘ব্রেন্টন টেরেন্ট’ নামক এক ব্যক্তির সন্ত্রাসী হামলা। সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ মিনিট বিলম্বই বাঁচিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে।

বাংলাদেশের ক্রিকটারদের সঙ্গে কোনো নিরাপত্তাকর্মী দূরে থাক, স্থানীয় লিয়াজোঁ অফিসারও ছিলেন না।তাদের জন্য  নিরাপত্তার কোন ব্যবস্থা রাখা করা হয়নি ।এ ঘটনার পর বিদেশের মাটিতে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।অথচ নিউজিল্যান্ডের প্রতিবেশি দেশ অষ্ট্রেলিয়া নিরাপত্তার নানা অজুহাতে দীর্ঘ সময় বাংলাদেশি ভ্রমনে অনীহা দেখিয়েছিল।বাংলাদেশ সফরকালে বিদেশি দলগুলোকে ভিআইপি মর্যদায় নিরাপত্তা দেয়া হয়।অথচ বাংলাদেশ দলের জন্য বিদেশে কতটুকু নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় আজকের ঘটনায় তা স্পষ্ট হলো।

বিএনএ/ আর করিম চৌধুরী/এসজিএন


ট্যাগ:
নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

newssbna-ad

The Village Restaurant And Party Centre Finlay house ,Ground floor (oposite CGO building 11) Agrabad C/A Or Call 0176588888

ওয়েব সাইটে প্রকাশিত কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও মতামত এর জন্য সম্পাদক কোন ভাবে দায়ী নন